কেমন রোগ পিত্তপাথুরী বা গলস্টোন

কেমন রোগ পিত্তপাথুরী বা গলস্টোন

Category : Ambulance Service

কেমন রোগ পিত্তপাথুরী বা গলস্টোন

পাথরের  উপাদানের ভিত্তিতে পিত্তপাথরের কয়েক শ্রেণীতে ভাগ করা যায়ঃ

১। খাটি পাথর- শুধুমাত্র একটি উপাদান থাকে। যেমন কোলেস্টেরল পাথর। শতকরা দশ ভাগই এ জাতীয়। পিগমেন্ট পাথর যাতে শুধু বিলিরুবিন পিগমেন্ট থাকে, ক্যালসিয়াম কারবোনেট পাথর।

২। মিশ্র পাথর- পিত্তের বিভিন্ন উপাদান দ্বারা এ গঠিত।

দেখতে কেমন

পাথর দেখতে কেমন তা নির্ভর করে কোন শ্রেণীর পাথর তার উপর। খাটি কোলেস্টেরল, বিলিরুবীন পাথর, ক্যালসিয়াম, মিশ্র।

পিত্তপাথর সৃষ্টিতে নিম্নলিখিত নিয়ামকসমূহ সাহায্য করে থাকে। এদের কোন একটা এককভাবে দায়ী নয়, তাদের সম্মিলিত প্রভাবেই পাথরের সৃষ্টি হয়।

ক) পিত্তের উপাদানে গরমিল পিগমেন্ট শ্রেণীভুক্ত পাথর হোমোলাইটিক শ্রেণীর রক্তশূণ্যতায় পাওয়া যায় কারণ রক্ত  বিনষ্টির ফলেই রক্তে পিগমেন্ট বাড়ে যা পিত্তপ্রবাহে বেশি পৌছায়।

পিত্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা খুব বেশি হওয়ার ফলেই কোলেস্টেরল শ্রেণীর পাথরের সৃষ্টি হয়। কোলেস্টেরল পানিতে দ্রবীভূত হয় না। ম্যধভাগে কোলেস্টেরল ও কিনারায় লিসিলিন ও বাইল সল্ট বিশেষ এক অনুপাতে উপস্থিত থাকে। এমন এক মিশিলি গঠনের ফলে কোলেস্টেরল দ্রবীভুত অবস্থায় বিরাজ করে। যদি কোন কারণে এই ভারসম্য নষ্ট হয় তবে কোলস্টেরল তলানি হিসেবে পড়ে পাথরের সৃষ্টি করে। অধিক পরিমান কোলেস্টেরলসমুহ অস্বাভাবিক প্রকৃতির বাইল সৃষ্টি হওয়া এই ভারসম্য নষ্ট হওয়ার কারণ।

পিত্তের বন্ধতাঃ পিত্তবদ্ধতা পাথর সৃষ্টির এক অন্যতম কারণ। এক্ষেত্রে পানি অধিক পরিমাণে বিশেষিত হয় যার ফলে পিত্তের উপাদান গাঢ়তর হয়। কোলেস্টেরল ও বাইল পিগমেন্টের অনুপাত নষ্ট হয়। ফলে পিত্তের দ্রাব্যতায় গোলমাল হয়।

গ) প্রদাহ প্রদাহের ফলে পিত্তথলির উপরঝিল্লীস্তর বিনষ্ট হয় যার ফলে কোলেস্টেরল তলানি হিসেবে  পড়ে এবং তার উপরে বিলিরুবিনের স্তর জমা হয়। এভাবে মিশ্র পাথরের সৃষ্টি হয়।

ব্যাকটেরিয়া অথবা ঝরে পড়া উপঝিল্লি কোষ পাথর সৃষ্টির কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে আচরণ করতে পারে।

প্রদাহ যে শুধু ব্যাকটেরিয়া দ্বারাই সৃষ্টি হতে হবে এ রকম নয়। রাসায়নিক দ্রব্যের দ্বারা সৃষ্ট উত্তেজনায় ফলেও তা সৃষ্টি হতে পারে।

কাদের হয়, কত ব্যাপক ?

প্রাদুর্ভাবঃ পিত্তপাথর খুব প্রচুর পরিমাণে ব্যাপ্ত। যুক্তরাষ্ট্রে শতকরা ১০ – ২০ ভাগ লোক এই রোগে ভোগেন।

বয়সঃ জীবনের প্রথম দু দশেক খুব বিরল। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে এর প্রাদুর্ভাবের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং ছয় ও সাত দশেক সর্বোচ্চ পৌছায়।

লিঙ্গ ঃ ছেলেদের চেয়ে মেয়েরাই এতে বিশেষ করে প্রদাহ পাথরে ভোগে বেশি।

অন্যান্য- বহুমুত্র, হেমোলাইটিক শ্রেণীর রক্তশূণ্যতা ও বহুবার গর্ভধারনের সাথে এর প্রত্যেক্ষ সম্বন্ধ আছে।

খাটি কোলেস্টেরল পাথর

পিত্ত পাথরের শতকরা দশ ভাগই হল খাটি কেলোস্টেরল পাথর। এর সংখ্যায় এক আকারে বড়। ০.৫ – ৫.০ সেন্টিমিটার ব্যাসার্ধে আকৃতিতে গোলাকার অথবা ডিম্বাকৃত এবং  এদের রং সাদা।

এদের উপরিতল স্কটিকা। ছবি দিয়ে কাটলে দেখা যায় এদের গায়ে অসংখ্য কোলেস্টেরল স্ফীক বা চিকচিক করে ও সাইকেলের স্পোকের মতো অথবা আলোকরশ্মির ছড়িয়ে পড়া লাইনের মতো বিরাজ করে। সাধারণতঃ এর কোন উপসর্গ সৃষ্টি না করে নীরব থাকে। রঞ্জন রশ্মিতে এদের দেখা যায় না। তবে এরা পিত্তথলীর প্রবাহকে ধরে রাখা ও তাতে আকার বৃদ্ধি করে। এদের সৃষ্টির উল্লেখযোগ্য কারণসমুহ ঃ

ক) স্থানীয় কারণে পিত্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে তোলে।

খ) পিত্তের বন্ধতাঃ ক্যালসিয়াম বিলিরুবিনেট পাথর(পিগমেন্ট পাথর) ঃ এরা খুব বিরল। এদের বৈশিষ্ট্য হল এর সংখ্যায় অধিক, আকারে ছোট ( এক সেন্টিমিটার ব্যাসার্ধ), ক্যালসিয়াম বিদ্যমান থাকার দরুন রঞ্জন রশ্মিতে এদের দেখা যায়। কোন কোনটার ঘনত্ব কঠিন। পক্ষান্তরে কোন কোনটা ভঙ্গুর।

লোহিত কণিকা বিনষ্ট হয় এমন সমস্ত অবস্থায় এরেদ পাওয়া যায়। যেমন হেমোলাইটিক জাতীয় রক্তশূণ্যতা। এদের পিগমেন্ট পাথরও বলা হয়।

ক্যালসিয়াম কারবোনেট জাতীয় পাথরঃ এই শ্রেণীর পিত্তপাথর সর্বাপেক্ষা বিরল। এরা ধুসরাভ শ্বেত বর্ণের হয়ে থাকে। এদের সৃষ্টির কারণ অজ্ঞাত। সম্ভবতঃ পিত্তের প্রতিক্রিয়ার পরিবর্তন এর কারণ হতে পারে, এরা অববয়হীন হতে পারে, বালির মতো দানাকার হতে পারে অথবা বহু কোন বিশিষ্ট স্কটিক হতে পারে। যার আয়তন দু সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।

মিশ্র জাতীয় পাথর ঃপ্রায় আশি ভাগ পিত্তপাথর মিশ্র শ্রেণীর হয়ে থাকে। এদের প্রদাহ পাথরও বলা হয়। কারণ এ জাতীয় পাথরই পিত্তথালী প্রদাহের সাথে পাওয়া যায়।

এ জাতীয় পাথর বাইলের তিন উপাদান যথাঃ কোলেস্টেরল, ক্যালসিয়াম কারবোনেট সমন্বয়ে গঠিত। কোলোস্টেরল ও বিলিরুবিনেট ‘একের পর আর এক স্তর’ এই ভাবে বিরাজ করে।

এরা সংখ্যায় বহু এবং আকারে, আকৃতিতে ও চেহরায় বহু প্রকারের হয়ে থাকে। আকারে সাধারণত ০.১ – ২ সেন্টিমিটার ব্যাসার্ধ হয়ে থাকে। পরস্পর গায়ে গায়ে লেগে থাকে। কাটলে সমকেন্দ্রিক স্তরের ন্যায় দেখা যায়। পাথরের রং নির্ভর করে কোন রাসায়নিক দ্রব্য সর্বাধিক হারে উপস্থিত তার উপর। কোলেস্টেরলের পরিমাণ বেশি থাকলে পাথরের রং হলুদ হয়। পক্ষান্তরে বিলিরুবীন বেশি থাকলে রং ধুসর ও কারবনেট বেশি থাকলে রং সাদা হয়ে যায়।

ক্যালসিয়াম পরিমাণ বেশি থাকলে পাথর রঞ্জন রশ্মিতে ধরা পড়ে।  েএর গঠনের কারণ হল পিত্তথলীর উপঝিল্লী স্তরের পুনরায় বিশ্লেষণ করার ক্ষমতার হ্রাস পাওয়া। পাথর প্রস্তুতকারী দ্রব্য অপেক্ষা পিত্ত অম্ল বেশি হারে বিশ্লেষিত হয়।

লক্ষণ কি ?

মনে রাখাতে হবে অনেক ক্ষেত্রে পিত্তপাথর কোন লক্ষণ প্রকাশ করে না, নিশ্চুপ থাকে। লক্ষণ যখন দেখা যায় তখন সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য লক্ষণ হল পেটে কলিক ব্যথা হঠ্যাৎ শুরু  হয়। ১- ৪ ঘন্টা থাকে। ব্যথা প্রচন্ড হয়, থেকে থেকে আসে। মাঝখানে  একেবারে চলে যায়। ব্যথার যন্ত্রণায় রুগী ছটফট করতে থাকে। মাঝে মাঝে পেটের ডান দিকে উপরাংশে চিন চিন ব্যথা করে।

কলিক ব্যথার সাথে বমি বা মাথা ঘোরা ভাব থাকে। জন্ডিস দেখা দিতে পারে, জ্বর বা কাঁপুনী সাথে থাকতে পারে। অজীর্ণতা, পেট ফাঁপা, ঢেকুর ইত্যাদি থাকতে পারে।

কি ইনভেসটিগেশন করতে হবে ? সবচেয়ে যা প্রথমে করা হয় তা পেটের এক্সরে, প্লেন এক্সরে বা খালি পেটে সাধারণ এক্স রে ছাড়াও মুখ দিয়ে রেডিও ও পেক দ্রব্য খেতে দিয়ে পিত্তথলীর এক্সরে নেয়া  হয়। অনেক ক্ষেত্রে রক্তে ইনজেকশন দিয়ে পিত্তথলীর এক্সরে করা হয়। এতদিন পর্যণ্ত এই ছিল পিত্তপাথুরী রোগের মুখ্য ইনভেসিটিগেশন। এখন এসেছে সেনোগ্রাফী। এ খুব সহজেই পিত্তথলীতে পাথর ধরতে পারে। অল্প সময়ে এবং এর জন্য কিছু খেতে বা ইনজেকশন নিতে হয় না।  তাই সুবিধাজনকও বটে। এ জন্য প্রথমে আল্টাসেনোগ্রামই করা হয়।

চিকিৎসা কি ?

পিত্তপাথরের চিকিৎসার হল অস্ত্রোপাচার করে পাথরসহ পিত্তথলীকে অপসারণ করা। যদি দেখা যায় পাথর নীরব আছে কোন অসুবিধা হচ্ছে না, তবে অপারেশন না করাই শ্রেয়। তবে সিদ্ধান্ত নেবার সময় একবারও কলিক হয়েছিল কিনা জন্ডিস বা অসুবিধে ছিল কিনা তা পর্যালোচনা করা উচিত।

আজকাল পিত্তপাথরকে লিখোট্রপলি নামক এক পদ্ধতিতে ভেঙ্গে টুকরো করে ছোট করে ফেলা হয় ও তা পরে ওষুধের সাহায্যে বের করা হয়। খবরের কাগজে প্রায়ই এ সম্বন্ধে বিজ্ঞাপন দেখা যায়। শকওয়েভ বা তরঙ্গ এক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

এছাড়া কিছু কিছু ওষুধ সেবনে পিত্তপাথরকে গলিয়ে দিয়ে বের করা হয়। চেনোড্রক্সিকোলিক এসিডের নাম করা যায়। তবে এ সমস্ত ওষুধের সাফল্য সম্বন্ধে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে আছে।

জটিলতা

অনেক ক্ষেত্রে পাথর নীরব থাকে। আবার অনেক ক্ষেত্রে এরা নানাবিধ জটিলতা সৃষ্টি করে। উল্লেখযোগ্য জটিলতা হলঃ পিত্তথলী প্রদাহ।

১। প্রদাহ এরা প্রদাহ ও কোলেনজাইটিস সৃষ্টি করে।

২। আটকে পড়া  এরা পিত্ত প্রদাহ প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার ফলে অবস্ট্রাকটিভ পিত্তরোগ, মিউকোসিল ও এমপায়োমা সৃষ্টি করে।

৩। পাথর বেরিয়ে পড়ার সময় –ক) অস্ত্র- পিত্তথলী ফিসটুলা সৃষ্টি হওয়া। খ) ক্ষুদ্রান্ত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হওয়া।

৩। বিলিয়ারী সিরোসিস।

৪। পিত্তথলীর দেওয়াল ফুটা হয়ে যাওয়া যার ফলে পুজাক্তি ও পেরিটোনিয়ামের প্রদাহ সৃষ্টি হয়।

৫। দুষ্টগ্রাহিতা।

স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি কাদের ?

স্ট্রোক হলে মস্তিষ্কের বিশেষ এক অংশের সরবারহ বিঘ্নিত হওয়ার ফলশ্রুতিতে মস্তিষ্কের সেই অংশের কাজ হঠ্যাৎ করে বন্ধ হয়ে যায়। প্রতিবছর অনেকেই স্ট্রোকের শিকার হচ্ছে। যাদের স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি,  তারা যদি এ ব্যাপারে সর্তক হন তাহলে স্ট্রোক হতে নিরাপদ থাকবেন। কাদের স্ট্রোক হওয়ার ঝুকি আছে তা নিম্নে দেওয়া হলো ঃ

উচ্চ রক্তচাপ

অধিকাংশ স্ট্রোক রোগীর ক্ষেত্রেঃ উচ্চ রক্তচাপকেই দায়ী করা হয়। সিস্টেলিক রক্তচাপ ১৪০ mm Hg এর উপর উঠলে এ ডায়োস্টেলিক রক্তচাপ 90 mm Hg এর উপরে গেলে ঝুকি অধিকতর বৃদ্ধি পায়। সুতারাং কারও যদি উচ্চ রক্তচাপ থাকে তার নিয়মিত চিকিৎসা করা দরকার।

ডায়বেটিস বা বহুমুত্র

অন্যদের তুলনায় বহুমুত্র রোগ আক্রান্ত ব্যক্তির স্ট্রোকে আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা থাকে তাই যাদের ডায়বেটিকস আছে তাদের সুচিকিৎসা  করাতে হবে।

এ্যারলকোহল পানকারী

এ্যালকোহল পানের পরিমাণ ও স্ট্রোকের ঝুকির মধ্যে একটি স্পষ্ট সম্পর্ক রয়েছে এর কারণ সম্ভবত অতিরিক্ত সুরাপান উ্চচ রক্তচাপ বাড়িয়ে দিতে পারে। অসুবিধা সৃষ্টি করে। এছাড়া আমাদের শরীরবৃত্তীয় কর্মকান্ডে চিনি ও চর্বি যেভাবে ব্যবহৃত হয় মদ বা সুরা সম্ভবত তাতে বিঘ্ন ঘটায়।

ধুমপানকারী

ধুমপানের কারণে  ধমনী পুরু হয়ে যায় ও রক্ত জমাট হারও বাড়িয়ে দেয়, যা স্ট্রোকের জন্য ঝুকিপূর্ণ। এছাড়া ধুমপায়ীদের অধিক লোহিত রক্তকোষ কম উপযুক্ত।  যাদের রক্তে কোষের উপাদান ৫০% এর ‍উপর তাদের স্ট্রোকের ঝুকি থাকে। কারণ অতিরিক্ত রক্তকোষ রক্তের ঘনত্ব বাড়িয়ে দিয়ে রক্ত চলাচল বিঘ্ন ঘটায়।

মুখে দেয়া জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি

এ ধরনের বড়ি সেবনের ফলে মহিলাদের মধ্যে স্ট্রোকের ঝুকি ২ -৩ গুন বাড়িয়ে দেয় বলে সন্দেহ করা হয়। এর সাথে যদি ধুমপানের অভ্যাস থাকে তাহলে ঝুকি ৭ গুন বেড়ে যায়।

অতিরিক্ত চর্বি সেবনকারী

       অতিরিক্ত চর্বি বা কোলেস্টেরলযুক্ত খাবার দ্বারা পছন্দ করেন তাদের উচিত নিজ সম্পৃক্ত চর্বি খাদ্য গ্রহণ করা যেমন গরু ও খাসির মাংসের পরিবর্তে অধিকহারে মাছ খাওয়া।

এছাড়া যাদের পরিবারে স্ট্রোকের ইতিহাস আছে, মস্তিস্কে আঘাত পেয়েছে, আবার কারও কারও জন্মের সময়ই মস্তিস্কের রক্তসংবহন নালিকার অসুবিধা থাকতে পারে, এতে রক্তনালী ছিন্ন হয়েও স্ট্রোক হতে পারে। ধারণা করা হয় যে, ৪৫ বছর বয়সের উর্ধবয়স্ক পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের মধ্যে এর প্রোকোপ বেশি।

 

বিশেষ প্রয়োজনেঃ 

আপনার যে কোন সময় এম্বুলেন্স সার্ভিস দরকার হতে পারে। যে কোন ধরনের এম্বুলেন্স সার্ভিস পেতে হলে খালেদ এম্বুলেন্স সার্ভিস এ যোগাযোগ করুন। অথবা কল করুন এখনই ০১৯৩৩২৪৬৫৭৭ – এই নাম্বারটি মনে রাখুন অথবা আপনার মোবাইল এ সেভ করুন এখনই। kmosarrof@gmail.com

আমাদের এম্বুলেন্স সার্ভিস ভিজিট করুনঃ https://khaledrentacar.com/ambulance-service/


About Author

Khaled

I am Khaled, the owner of the Khaled rent a car.

Leave a Reply

Make booking here

Calendar is loading...
Powered by Booking Calendar
Skip to toolbar