Skip to content

কাশি প্রতিরোধে করণীয়

  • by

কাশি (cough) প্রতিরোধে করণীয়

সাধারণতভাবে কাশি আলাদা কোনো রোগ নয়। অন্য রোগের উপসর্গ। যেসব রোগে গলা, ফুসফুস বা ব্রঙ্কাইটিসে আক্রান্ত হয় সেসব রোগের উপসর্গ হিসেবে কাশি দেখা দেয় এবং কাশি হচ্ছে গলায় ফুসফুসে জমানো শ্লেষ্মা বা জীবানু বের করার প্রক্রিয়া।  এতে শ্বাস প্রক্রিয়া সহজ হয়। কাজেই যখন কাশিতে শ্লেষ্মা বের হচ্ছে তখন তা বন্ধ করতে ওষুধ খাবেন না বরং এমন কিছু করুন যাতে শ্লেষ্মা তরল হয়ে বের হয়ে আসে।

কাশি
কাশি

যেমন

১. প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। পটাশিয়াম আয়োডাইডেও উপকার হতে পারে।

২. গরম পানির ভাপ নিতে বেশি পরিমাণ গরম পানি বালতিতে নিয়ে উঁচু জায়গায় এসে বালতিসহ মাথা একটি চাদর দিয়ে ঢেকে বালতিসহ মাথা একটি চাদর দিয়ে ঢেকে বালতি থেকে যে বাষ্প উঠছে তা নিঃশ্বাসের সঙ্গে নাক দিয়ে টেনে নিন। এভাবে প্রায় ১৫ মিনিটের মতো দিনে কয়েকবার করে ভাপ নিন।

৩. সব ধরনের কাশিতে বিশেষ করে শুকনো কাশিতে নিজেদের বানানো সিরাপ দিতে পারেন। (এক ভাগ মধু + ১ ভাগ লেবুর রসের মিশ্রন) দুই অথবা তিন ঘন্টার পরপর এক চামচ করে দেয়া যেতে পারে।

৪. মারাত্মক কাশির কারণে ঘুমোতে না পারলে তবে সিরাপের সঙ্গে কোরাল হাইড্রটের মিশ্রণ ব্যবহার করতে পারেন তবে শ্লেষ্মার পরিমাণ বেশি বা শব্দসহ কাশির ক্ষেত্রে এটা ব্যবহার না করাই ভালো।

৫. কাশিতে শব্দ হলে পানির সঙ্গে সামান্য লবণ মিশিয়ে নাক দিয়ে টেনে নিন এতে শ্বাসকষ্ট কমবে।

৬. কি রোগের কারণে কাশি হয়েছে তা খুঁজে বের করে চিকিৎসা করুন। যদি কাঁশি দীর্ঘস্থায়ী হয় এবং কাশিতে রক্ত, পুঁজ অথবা দুর্গন্ধ থাকে অথবা যদি তার ওজন কমে যায় বা শ্বাস নিতে কষ্ট হয় তাহলে একজন স্বাস্থ্যকর্মীকে বা চিকিৎসককে দেখান

৭. যেকোনো কাশি থাকলে আপনি ধুমপান থেকে বিরত থাকুন। কাশি থেকে মুক্তি পেতে হলে যে কারণে কাশি হয়েছে তার চিকিৎসা করুন।

সৈকত নন্দী

রংপুর মেডিকেল কলেজ।

Call Now!
Verified by MonsterInsights