Author Archives: Khaled

Kuakata fits in economics of tourism

Kuakata of Patuakhali south-east is quite a spot for watching a scene sunrise and silent sunrise. Its sprawling sea beach is next to Cox Bazar’s. Tourist are already attracted. Besides greening, lodges, hotels are springing up.

With a 27-minute flight to Barisal, one from Dhaka can reach there in a day. One hardly misses infrastructural developments that are taking place around although at snail speed. Fishing is here thriving and main profession which contributes to the livelihood of about 10,000 inhabitants out there. Shrimp fries caught with special nets in deep saline sea water are readily consumed in hatcheries for culture in greater Khulna and among many types of fishes caught, silver Hilsa and Roopchanda are worth mentioning. Dry fish is abundant. Locally made handloom and woven clothes meet domestic demand as the people only use their own produce. The settlement is a mixed culture of locals with Burmese Mogs. The people are more contented than demanding and are not disappointed expect on this or that as they never expect anything like that and this is the essence of a self-reliant economy in a small pocket.

Nearby Kalapara The Payra sea port in Patuakhali is turning into a seaport for international trade and commerce and it is learnt that the navigability in the approaches and delta is excellent for heavy tonnage ships. The sea port is almost done by next years of 2020.

Therefore, it is seen that Kuakata is quite pregnant with possibilities and what remains to be done is a seriousness to exploit its untapped resources and other potentialities, side by side with the promotion of tourism.

There is a first time for everything and there are examples to show that many such neglected areas from Cape of Good Hope to Acapulco, Mexico were turned into tourist centers and ports amid poverty specially during late forties and early fifties.

Kuakata sits and fits in economics of tourism and also international trade and commerce.


নবদম্পতিদের বেড়ানোর জন্য মনোরম পার্ক – গার্ডেন

Category : Uncategorized

Visiting places for the new couple

By লিয়াকত হোসেন খোকন

নবদম্পতিরা একটু বিনোদনের জন্য আশপাশের কিংবা দূরের কোন নির্জন পার্কে বেড়াতে যেতে পারেন। সবুজ গাছগাছালি ও ফুলের বাগানে বেড়ানো ও এখানে সময় কাটানোর জন্য ঢাকা মহানগরীসহ দেশের প্রতিটি জেলা শহরে মনোরম পার্ক ও গার্ডেন রয়েছে। এর কোথাও কোথাও দম্পতীদের বসার সিট রয়েছে। কৃত্রিম লেক কিংবা নদী তীরেও বেড়ানো যেতে পারে। দম্পতিদের বেড়ানোর জন্য নিচে কয়েকটি বড় শহর ও উল্লেখযোগ্য স্পট বা পার্ক রয়েছে তার বর্ণনা নিচে দেয়া হল।

ঢাকাঃ ঢাকার জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান (বোটানিক্যাল গার্ডেন), চন্দ্রিমা উদ্যান, গুলিস্তান চিলড্রেন পার্ক, গুলশান পার্ক ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি পার্ক গার্ডেন রয়েছে। জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যানটি হল মিরপুর চিড়িয়াখানা সংলগ্ন। প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এখানে বেড়ানো যায় দর্শনীর বিনিময়ে। এখানে বিভিন্ন গাছের সমারোহ দেখতে পাবেন। কৃত্তিম পাহাড়, লেক, ফুলের বাগান ও বাঁধ অন্যতম আকর্ষণ। শেরে বাংলা নাগরে ‘চন্দ্রিমা উদ্যান’। প্রতিদিন এটিও খোলা থাকে। প্রবেশ মূল্য নেই। সন্ধ্যার পরে এখানে অবস্থান নিরাপদ নয়। চন্দ্রিমা উদ্যানের বনবীথি প্রান্তরে বসা কিংবা হাঁটার দারুণ বৈচিত্র রয়েছে। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও রমনা পার্ক পাশাপাশি। সকাল ৬ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত খোলা। বলধা গার্ডেনটি ওয়ারীতে। তিরিশের দশকে নরেন্দ্র নারায়ণ নামে রায় জনৈক প্রভাবশালী লোক বলধা গার্ডেনে বিভিন্ন ফুলের গাছ, পদ্ম পুকুর, রেস্ট হাউস স্থাপন করেন। এখানে প্রবেশ করে পদ্ম পুকুর ঘাটে বসতে পারেন। প্রাকৃতিক ঘরিটিও দেখুন। সংসদ ভবনের সামনের গার্ডেনেও সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিরাপদে বেড়ানো যায়। লালবাগ দুর্গের গার্ডেনে রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত বেড়ানো যায়।  লালবাগ দুর্গের গার্ডেনে রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত বেড়ানো যায়। শুক্রবার সকাল ৯ টা থেকে বেলা ১২ টা এবং দুপুর ২ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকে।

ভাওয়ালঃ ঢাকা থেকে ৪০ কিমি. দূরে ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্ক। এখানে জাবেন সড়ক পথে বাসে। প্রাইভেট কার নিয়েও যেতে পারেন। ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্কের গজারি বন ও অন্যান্য বৃক্ষরাজির মর্মর শব্দ সবুজ গাছ গাছালির আপুর্ব সমারোহ, পাখীর সুরেলা ডাক আপনার মন নিমিষেই আকৃষ্ট করবে। ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্কটি এদেশের সবচেয়ে বড় পার্ক। এখানে দম্পতিরা সারাদিন ঘুরে প্রবল আনন্দ পাবেন। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এখানে অবস্থান করবেন।

সোনারগাঁও পার্কঃ ঢাকা থেকে ২৪ কিমি. দূরে সোনারগাঁও গেলে পার্ক দেখতে পারবেন। গার্ডেনও আছে। বাগানে বছরের যে সময় যাবেন তখনই মনে হবে বাংলার ষড়ঋতুর অপরূপ বৈচিত্র বুঝি সব এক হয়ে মিশেছে এখানে। কদম-কামিনী, রজনীগন্ধা, জুঁই, চামেলি, বকুল, শেফালী ছুলে আচ্ছাদিত সোনারগাঁও-এর বাগান।

চত্তগ্রামঃ এখানে নাসিরাবাদ পার্ক, বাটালী হিলস পার্ক, টাইগার পাস পার্ক, পাঁচলাইশ পার্কে বেড়াতে পারেন সারাদিন। এসব পার্কের সর্বত্রই ফুলের বাগান আছে। বাটালি হিলস পার্কের মনোরম দৃশ্য দম্পতিদের মনকে আকৃষ্ট করবে। সিঁড়ি বেয়ে পাহাড় শীর্ষে উঠে বেড়াবেন। সারাটা দিন এখানে কাটিয়ে দিতে ইচ্ছে হবে হাতে হাত রেখে প্রেমের কথা বলে। হয়তো বা তখন হৃদয়ের কোণে জেগে উঠবে- ‘প্রেম একবার এসেছিল নীরবে আমারও দুয়ার প্রান্তে সে তো হায় মৃদু পায়… ।’

খুলনাঃ এখানে হাদিস পার্কটি দম্পতীদের মন কেড়ে নেবে। ফুলের বাগানে পায়ে হেঁটে বেড়াবেন নয়তো গাছ তলায় বসবেন। এখানে লেক দেখতে পাবেন। প্রেমিক-প্রেমিকা ও নবদম্পতিদের বেড়ানোর সুন্দর জায়গা খুলনার ‘প্রেমকানন’। এখানে তাজা গাছের তৈরি মানুষ, বানর ঘোড়া, হাতি, বাঘ, হরিণ, ভল্লুক দেখতে পাবেন। বাগানের এক কোণে পাথরের তৈরী কৃত্তিম পাহাড় ও হ্রদ রয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে বসে নবদম্পতিরা বর্তমান ও আগামী দিনের কথা ভেবে ভেবে আনন্দে আত্মহারা হয়ে উঠবেন হয়তোবা।

রাজশাহীঃ এ শহরের শেষপ্রান্তে জজ কোর্টের কাছে রাজশাহী উদ্দ্যান। উদ্দ্যান সংলগ্নে পর্যটনের হোটেল। রাজশাহী উদ্যানে ফুলের বাগান, লেক, ফোয়ারা আছে। উদ্দ্যান সংলগ্ন ক্যানেল নদী দেখবেন। এখানে বেড়ানোর জন্য বট পাবেন – দম্পতিরা এই বোটে বেড়ায়ে সুখকর আনন্দ খুঁজে পাবেন। শহর সংলগ্ন পদ্মা নদী – এই নদী তীরে বেড়ানোর জন্য পার্ক – গার্ডেন আছে। দম্পতীরা সিটে বসে পদ্মা নদীকে উপভোগ করতে পারেন। ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে পায়ে হেঁটে বেড়াতে এখানে কোন ক্লান্তি নাই। দেশের প্রায় প্রতিটি জেলা শহরে পার্ক রয়েছে, এর সর্বত্রই দম্পতিরা বেড়াতে পারবেন। এর সব পার্কেই সুন্দর গাছপালা, ফুলের বাগান আছে – সুধু তাই নয়, বসার ব্যবস্থাও আছে। প্রায় পার্কই খুব নির্জন। তাই গাছ গাছালির নিচে কিংবা ফুল বাগানের পাশে শুধু বসেই থাকতে ইচ্ছে হবে – তখন দম্পতীদের মন আনন্দে ভরে উঠবে। তবে পাহাড়ি শহর বান্দরবান, রাঙামাটির পার্কে বেড়ানোর সময় উঁচুনিচু পথ ধরে কিংবা পাহাড়ের গা বেয়ে উপরে উঠার সময় আরও বেশি আনন্দ বেশি লাগে। রাঙামাটির পার্কে বেড়ানোর সময় লেকের তীরে ঘন্টার পর ঘণ্টা ঘরে বসে থাকতে ইচ্ছে হয়। তারপর… ওই যে হ্রদে স্পিডবোট নয়ত টলার ভাড়া করে নিয়ে নবদম্পতিরা বেড়াবেন। আর তখনই নবদম্পতিদের মুখে এসে ভির করবে – ‘অনাদিকালের স্রোতে ভাসা মোরা দুটি প্রাণ নয়নে নয়ন রাখি… ’ গানের এই কথাগুলো।


Dhaka Day by Day – Traffic Trivia

Category : Uncategorized

By Farah Ghuznavi

Traffic Trivia

With the numbers and assorted varieties of vehicles (some of which have to be seen to be believed!) on the Dhaka streets having skyrocketed in recent years, traffic jams have become have an inevitable part of the daily lives of Dhaka-dwellers. Whatever vehicle you happen to use yourself, there is absolutely no way to avoid the regular traffic snarl-ups that occur all over town. Under the circumstances, most of us have to resign ourselves to the cacophony around us, and concentrate on trying to think about something else – anything else! After all, we don’t have the options of some of the inhabitants of Bangkok, who consider the time spent in traffic jams every day to be part of “family time”, and have TVs and fridges installed in their vehicles to help pass the time.

Traffic trivia

Traffic trivia

On the other hand, since we presumably don’t want to end up to infamous inhabitants of Los Angeles (some of whom have been known to shoot after drivers in the midst of traffic jams – perhaps as a means of expressing their frustrations!), some harmless form of entertainment should be found to help us pass the time. One useful option is to cultivate an interest in “rickshaw art”.

Seriously, it is quite interesting to see the wide range of pictures which are painted onto wide range of pictures which are painted onto the backs of baby-taxis and rickshaws. You see everything from fluffy white kittens to coy parrots and cavorting dolphins. Familiar scenes for Dhaka are include the parliament building and the martyrs’ monument, but then you also see quite peculiar scenes such as an alpine village nested at the foot of snowcapped mountains (no doubt painted by an artist longing for some coolness in the midst of the Bangladeshi summer!) or a grim-looking Rambo figure toting a remarkably large gun (anyone want to comment on the evidence of cultural imperialism here?!).

Along with the traditional depictions of the Taj Mahal and lush green villages, you can see the rather more avant-garde Sydney Opera House, and any number of futuristic metropolises, with curving highways, high-tech cars and towering skyscrapers. But my own favorites are the occasional animal figures (lions, tigers, jackals) seen riding on rickshaws, driving speedboats and shooting at sea-gragons. There is clearly no limit to the artistic imagination!

If that pastime palls, then you can turn to the interesting messages that are written on the back of some of the trucks that ply the city. A sense of humor is very evident in many of these writings. Take the following: “Biri Khabi Kha, More Jabi Ja” (roughly translated as. “You want to smoke, then go ahead and kill yourself.”) A number of these statements are concerned with the possibility of excessive closeness between vehicles leading to accidents — ranging from inscribed, “Chhi, Chii, tumi ato kachey” (Shame on you for coming so close to me) to the more progressive. “Akbar laiggai dekhen na” (Why don’t you bump me just once and see what I do to you) “Ei, shon, lagley khobor achhey” (Hey, you, if you bump into me then we’ll really have something to talk about).

Nor are the baby-taxis being left behind in this game. One zoomed past me, bearing the legend, “Ei rasta kobey phurabey” (when will this road finally come to an end). A number of them have also adopted the slogan of “Amakey mero na, ami choto” (don’t hit me, I’m little). Though perhaps in their case, it has less to do with a sense of humor and more with a sense of self-preservation! Whatever their motives, they certainly provide the bored motorist w3ith some amusement during Dhaka’s rush-hour gridlocks.


Sylhet an Exotic Place

Tags :

Category : Uncategorized

By Naureen Rahnumul

Sylhet is a district situated between the Khasia and Jainta hill tracts on the north, and the Tripura hill tract to the south. It is a beautiful place with scenic tea gardens lush green tropical forests and many other beautiful spots. It is also the home of Monipur, Tippera, Khasi and Garo trbal people.

There are two rivers named the Surma and Kushiara. Many streams meander from the hills of north and connect with these rivers down south. There are a good number of marshes in Sylhet, in the winter season, lots of birds migrate to these marshes.

Tourism in Sylhet area

Tourism in Sylhet area

Greater Sylhet consists of the districts Sylhet, Sunamganj, Habiganj and Moulvibazar.

Sylhet has an interesting history. There is the famous shrine of the saint Hazrat Shah Jalal. The shrine is visited by innumerable devotees from far away.

Hazrat Shah Jalal was born in Cunla, a city situated in TTurkey. His ancestors were from Yemen. Both his father and mother died. When he was a little boy. After that, his uncle Hazrat Sayed Ahmed Kabir looked after him.

One day Hazrat Shah Jalal dreamt that he should go to Delhi. He was very desperate to go there. His uncle picked up a handful of soil and gave it to him, saying that he should stay and preach Islam wherever he gets soil similar to the scent and colour.

So, after travelling to Delhi and other places, he came to Sylhet in 1303 with 360 disciples and defeated the king Gour Govindo. Legend says that he transformed followers of the Raja into catfish, which are still alive in a tank near the shrine. Swords, the holy Quran and the robe of the saint are still preserved in the shrine.

There are two gigantic metallic cooking pot, in which people put money.

Moreover, there is a well near the shrine. It is said that the water level doesn’t decrease or increase, it stays the same.

The shrine of another famous saint, Hazrat Shah Paran is situated 7 kms away from Sylhet town in a place called Khadim Nagar. He was the nephew of Hazrat Shah Jalal.

The Shahi Eidgah situated in Sylhet town was built by the Mughal Emperor, Aurangazeb, in the 17th century. It looks like a fort, but it is actually meant for Eid congregations.

The Murarichand Government college is situated on a hilltop. It was established in 1821. To the north-west of the college lies the remain of Raja Gour Govinda’s fort.

About 500 years old, renowned temple of Sri Chaitanya Dev is located at Dhaka Dakhin, about 45 kms south-east from Sylhet. The place is the ancestral home of the famous Vaishnava saint Vaishnava.

There is a park called ‘Natural park’, which is situated about 3 km away from the Osmani Airport. Here you can see some small hills.

Near the airport, there is a Motel, which is situated on a hilltop. You can get a good view of luxurious pastures from up there. The hospitality of the motel is very pleasing.

Tourism in Sylhet

Tourism in Sylhet

In Sylhet town, there is the famous clock of Ali Amzad, near the old Surma bridge, which is also famous, if you come to Sylhet, don’t forget to have a look at them.

Jaintapur is a place situated 43km away, north of Sylhet town. Jaintapur included the Khasi and the Jaintia hill tracts and plains of Jaintia. Jaintiapur Rajbari is about 34km away from the town. Only 5km away from Jaintiapur is Jaflong. It is a scenic spot, amidst tea gardens and rare beauty of rolling stones from hills. You can also see from Jaflong a hanging bridge called “Dawkil”, which is in India. A river called ‘Piyain’ flows across Jaflong. You can take a bit trip there. There is a bungalow in Jaflong where you can rest if you like. There is an elephant and you can ride it too. Tamabil is a border outpost on Sylhet-Shillong road and about 55km away from Sylhet town and 10-15km away from Jaflong. You can glimpse the waterfalls on the mountains, across the border.

Near Tamabil there is a bungalow on a hilltop, where you can take rest and you can have a look at the waterfall lying far away on big green mountains.


A TREAT FOR AUTO CONNOISSEURS

Category : Uncategorized

By – TOWHEED FEROZE
Every year London holds shows and exhibitions of different things appealing to the diverse interest of her cosmopolitan inhabitants.
From Chelsea flower show to the annual lager exhibition, each is unique in proportion and variety. “This is like being in Utopia” remarked one enchanted and enraptured viewer of the Chelsea flower show.
Every year London hosts about three to four hundred exhibitions, but, the display that transcends others in flamboyance, proportion and visible ostentation, is the annual London Motor shows. “It is unsurpassed, unrivalled and one of its kind” observed a local tabloid. This confident tone however, is not based on shallow pride but on hard tangible facts. From Fiat to Ferrari, From Saab to Suzuki you name it the show has it.
Being a car lover myself I made it my priority to go to the much-publicized exhibition at Earl’s Court. Not anticipating its monumental size, I had earlier visualized a car show with two to three hundred cars at the most. But, boy, was I in for a shock! Covering an area approximately of four football pitches the show was a spectacle to behold. Latest cars with their metallic polish radiating in the yellow lights. It seemed like a fantasy world.
Entering, my attention was caught by the latest TVR sleek and undoubtedly sexy the fabulous piece of wheels was rotating on a glass platform. A large line of mesmerized viewers marveling at her beauty with cries of wonder. A futuristic dashboard with all options (including a laser TV) reminded me of the Star Treck space deck. Crossing the TVR stand we came across Vauxhall, Seat, Peugeot and the car the Bangladeshis like most Toyota. I did not waste any time on these as all the models were of the same look with that often annoying aero-dynamic look.
With a red flag flattering and a lot of “wow’s” and dazzled eyes we came to the “Ferrari” stand. In all her allure the GTI was there standing with an arrogant countenance. The sophisticated curves, the distinguished poise sent a shiver of delight through my system. With admiration literally flowing out in one of the greatest cars stood there stuck by beside Ferrari was the stand of the car that is Vodka Martini “shaken prefers men who drink not stirred”.
Yes, we are talking about James Bond’s car Aston Martin, The V-8, the Vantage were rotating with an air of chastity. The heraldic sign of the Prince of Wales proudly hanging on the walls saying, that, like bond, the Prince is also a user. The stands of Lamborghini, better known as the Cleopatra of sports cars was occupied by people flashing away in frenzy. Stunned viewers went inside, came out with a look, as if to suggest that they had a short visit to heaven. The interior of the Lamborghini is absolutely “groovy”. Once inside the car I put my foot on the accelerator, shifted the gear forward and thought “If only this beauty had some petrol in her.” My reverie was broken by the restless persistence of the next viewer in the queue.
Our next target was BMW, and believe me guys I got a real treat, after taking a brief look at the Ford stand which featured the latest “KA” and “Puma” we went towards “LOTUS”. The “Elan” was there. Crossing Maserati, we went to the Mercedes show. The 300 SLK, the 220 and E class were being displayed. Having enough of new cars we headed for the upper floor. Here the crème de la crème of automobile was exhibited. The classics from the late thirties to early seventies shining with an unbelievable aura a price a price tag. The past world of automobile opened before me as went up. In line Ferrari 355’s 250’s was kept, Lamborghini Countach, Aston Martin D85 the one James Bond drove in “Goldfinger”, Dodge Viper, Lotus Espirit, Jaguar XJ7, E-type, XJS were all kept for the spectators to behold, praise and for some to be bold enough to buy. From staggering 250,000 and onwards the prices looked unreal. But, a 1953 Ferrari with a price of £500,000 “SOLD” sign written on it gave me an idea of the immense wealth of some people. Standing near a £35000 Ferrari Daytona was the buyer, rather unassuming, this guy owns five other Ferraris.
There were the Rolls Royce’s all glittering in the light. Phantom, Silver Ghost, Camargue sitting on a stand competing with one another. The dazed viewers going around and some of them drinking Champagne at the counter an indication that they had just parted with a few million for another car. Ferrari merchandise were being sold, and people were just buying like crazy. Ferrari shops were all red, and Temptation was put to test when anyone came near them. From stickers to writing pads from T-shirts to wallets all were there embroidered with the famous Ferrari logo.
“The best way to get rid of temptation is to yield to it” remembering Oscar Wild’s words I wasted no time and went on a shopping spree. By this time the exhibition was coming to its closing time. With one last look at the marvelous array of auto beauties, in a trance, I finally started for home. Being at the Motor show was dream fulfilled. But, I have one more dream, that is to drive a Ferrari or an Aston Martin or a Lamborghini Miura or a Viper. But for the time being think I shall have to be satisfied with my Toyota, definitely with a Ferrari sticker on it.


দেশীয় পর্যটকে এগোচ্ছে পর্যটনশিল্প

Category : Uncategorized

পর্যটনশিল্প

পর্যটনশিল্প

বান্দরবানের নীলগিরির মতো নৈসর্গিক সৌন্দর্যমণ্ডিত অনেক জায়গা রয়েছে দেশে, যেগুলো পর্যটকদের আকৃষ্ট করে l

দেশের বিভিন্ন জায়গায় মানুষের বেড়াতে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। সাপ্তাহিক ছুটির সঙ্গে বাড়তি এক-দুই দিনের ছুটি পেলে এখন অনেকেই পরিবার, বন্ধুবান্ধব নিয়ে ঘুরতে বেরিয়ে পড়েন। আবার একদল তরুণ আছেন, নতুন দর্শনীয় স্থান আবিষ্কারের নেশায় সারা বছরই দেশের আনাচে-কানাচে ঘুরে বেড়ান। মানুষের এই ঘুরতে যাওয়ার প্রবণতা কাজে লাগিয়ে দেশীয় পর্যটনশিল্প এখন ক্রমেই বাড়ছে।

পর্যটন খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পর্যটকদের পছন্দের বেড়ানোর তালিকায় এক নম্বরে আছে কক্সবাজার। পরের অবস্থানে আছে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি। পছন্দের তালিকার তৃতীয় অবস্থানে আছে সিলেট। হজরত শাহজালাল ও শাহপরানের মাজার জিয়ারত ছাড়াও সিলেটের চা-বাগানসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত জায়গাগুলোতে যাচ্ছেন পর্যটকেরা। বেড়ানোর তালিকায় আরও আছে সুন্দরবন, কুয়াকাটা, সেন্ট মার্টিন, পাহাড়পুর প্রভৃতি। ঘুরতে যাওয়ার জন্য ঢাকার খুব কাছে গাজীপুরের বিভিন্ন রিসোর্টও এখন বেশ জনপ্রিয়।
পর্যটন ব্যবসায়ীদের সংগঠন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) হিসাব অনুযায়ী, বছরে এখন ৫০ থেকে ৬০ লাখ মানুষ দেশের বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যান। বছর পাঁচেক আগেও এ সংখ্যা ২৫ থেকে ৩০ লাখ ছিল। আর ২০০০ সালের দিকে এ সংখ্যা ছিল মাত্র ৩ থেকে ৫ লাখ। ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিলের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের পর্যটন খাতে সরাসরি কর্মরত ১৫ লাখ মানুষ। আর পরোক্ষভাবে আরও ২৩ লাখ লোক এ খাতের সঙ্গে যুক্ত। সব মিলিয়ে প্রায় ৪০ লাখ লোকের কর্মসংস্থান তৈরি করেছে এ খাত। আর্থিক মূল্যে দেশীয় পর্যটন খাতের আকার দাঁড়িয়েছে কমপক্ষে ৪ হাজার কোটি টাকার।
সমুদ্র ও পাহাড় একসঙ্গে দেখার সুযোগ থাকায় কক্সবাজার দেশীয় পর্যটকদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয়। আগে শীতের মৌসুমে বেশি ভিড় থাকলেও এখন প্রায় সারা বছরই কক্সবাজারে পর্যটকদের আনাগোনায় মুখর থাকে। পর্যটকদের আবাসন সুবিধার জন্য কক্সবাজারজুড়ে এখন ৪৫০ হোটেল-মোটেল, রিসোর্ট গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে পাঁচতারকা মানের হোটেল যেমন রয়েছে, তেমনই আছে কম খরচে থাকার ব্যবস্থা।
পরিবহন ব্যবসায়ীদের থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন ঢাকা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে গড়ে কমপক্ষে ১০০টি বাস ছেড়ে যায়। বাংলাদেশ বিমান ও তিনটি বেসরকারি বিমান সংস্থার প্রতিদিন গড়ে ১০টি ফ্লাইট কক্সবাজারে যায়। এ হিসাবে সড়ক ও আকাশপথে কক্সবাজারে যান বছরে ১৫ লাখ মানুষ। এ ছাড়া রেলপথে চট্টগ্রামে গিয়ে সেখান থেকে সড়কপথে ও ব্যক্তিগত গাড়িতে আরও ২-৩ লাখ লোক কক্সবাজারে যান। সব মিলিয়ে বছরে প্রায় ২০ লাখ পর্যটককে আতিথেয়তা দেয় কক্সবাজার।
পার্বত্য তিন জেলা পর্যটকদের প্রিয় হলেও এখানে আবাসনব্যবস্থা কম। তাই এখানে দিনে বেড়ানো পর্যটকের সংখ্যাই বেশি। কিন্তু সিলেটে আবার বিষয়টি উল্টো। সিলেট চেম্বার অব কমার্সের হিসাবে, পুরো সিলেট শহরে এখন ৩২৫টি ছোট-বড় হোটেল রয়েছে। এর বাইরেও কিছু হোটেল আছে যেগুলো হিসাবের বাইরে। সব মিলিয়ে প্রতিবছর সিলেটে ১০ থেকে ১২ লাখ মানুষ আসেন, যা দেশের ভেতরে পর্যটকসংখ্যায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
দক্ষিণাঞ্চলে পর্যটকদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় গন্তব্য সুন্দরবন। বছরে আড়াই লাখ লোক এখন সুন্দরবনে বেড়াতে যান। উত্তরবঙ্গে পর্যটকদের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে আছে নওগাঁর পাহাড়পুর, বগুড়ার মহাস্থান ও দিনাজপুরের কান্তজিউ মন্দির। এসব জায়গায় ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ পর্যটক যান।
টোয়াবের সভাপতি তৌফিক উদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, অভ্যন্তরীণ পর্যটক বৃদ্ধির মূল কারণ দেশে মধ্যবিত্ত শ্রেণির বিকাশ। মানুষের আর্থিক সামর্থ্য এখন আগের চেয়ে বেড়েছে। ফলে ট্যুর অপারেটরদের ব্যবসা আগের চেয়ে ভালো হচ্ছে।

অপরিকল্পিত অবকাঠামো ও যোগাযোগব্যবস্থার সমস্যা
খাত-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, দেশের অনেক পর্যটনকেন্দ্রেই পর্যাপ্ত অবকাঠামো সুযোগ-সুবিধা নেই। আবার যেখানে অবকাঠামো তৈরি হচ্ছে, সেখানে পরিকল্পিত উপায়ে কাজ হচ্ছে না। অপরিকল্পিত অবকাঠামোর সবচেয়ে বড় উদাহরণ কক্সবাজার। অতিরিক্ত পর্যটকের ভারে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও এখন হুমকির মুখে পড়েছে। একই অবস্থা তৈরি হয়েছে সুন্দরবন, সিলেটের রাতারগুল, জলারবনসহ বেশ কয়েকটি পর্যটনকেন্দ্রে। আবার বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র পর্যন্ত যাওয়ার যোগাযোগব্যবস্থাও ভালো নয়।
সরকারিভাবে দেশে পর্যটনশিল্পের প্রসারে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ড কাজ করছে। কিন্তু বিশ্লেষকদের মতে, দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা পর্যটনকেন্দ্র এবং এগুলোর অবকাঠামো উন্নয়নে ১৭টি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ২০১০ সালে তৈরি জাতীয় পর্যটন নীতিমালায় এ বিষয়ে সমন্বয়ের কথা বলা হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।
জানতে চাইলে বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় যদি তাদের উন্নয়ন ভাবনায় পর্যটনকে সম্পৃক্ত করে, তাহলেই এ খাতের প্রত্যাশিত উন্নয়ন সম্ভব। এ জন্য পর্যটন বোর্ড চেষ্টা করে যাচ্ছে। উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, পদ্মা সেতু প্রকল্পে নদীর দুই পারে আলাদা পর্যটনকেন্দ্র তৈরির কোনো পরিকল্পনা এখন পর্যন্ত নেই। অথচ এ প্রকল্প ঘিরে নদীভিত্তিক একটা পর্যটনব্যবস্থা সহজেই তৈরি করা সম্ভব।

কমছে বিদেশি পর্যটক
অভ্যন্তরীণ পর্যটকের সংখ্যা বাড়লেও উল্টো অবস্থা বিদেশি পর্যটক আগমনে। দেশে এখন বছরে বিদেশ থেকে কত পর্যটক আসেন, এর সুনির্দিষ্ট কোনো পরিসংখ্যান সরকারের কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে নেই। তবে জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার (ইউএনডব্লিউটিও) হিসাবে দেখা যাচ্ছে, দেশে গত সাত-আট বছর ধরে বিদেশি পর্যটক কমেছে।
ইউএনডব্লিউটিওর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১০ সালে বাংলাদেশে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা ছিল ৩ লাখের কিছু বেশি। ২০১৪ সালে এ সংখ্যা কমে ১ লাখ ২৫ হাজারে নেমে এসেছে। বিদেশি পর্যটক নিয়ে এরপর আর কোনো তথ্য বাংলাদেশ থেকে ইউএনডব্লিউটিওকে দেওয়া হয়নি। একই সময়ে বাংলাদেশের প্রতিবেশী দেশ ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপালে পর্যটকসংখ্যা প্রতিবছরই বেড়েছে। যেমন ভারতে ২০১০ সালে বিদেশি পর্যটক ছিল ৫৭ লাখ ৭৬ হাজার, ২০১৬ সালে বৃদ্ধি পেয়ে ১ কোটি ৪৫ লাখ হয়েছে। একাধিক দেশীয় ট্যুর অপারেটর কোম্পানির সঙ্গে কথা বলেও বিদেশি পর্যটকসংখ্যা কমে যাওয়ার বিষয়টি জানা গেছে।

ইন্টারনেট ও প্রযুক্তির ভূমিকা
দেশীয় পর্যটনের প্রসারে ইন্টারনেট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক একটা বড় ভূমিকা রাখছে। সুযোগ পেলেই দেশের আনাচে-কানাচে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তরুণেরা। সেই ভ্রমণের ছবি ও গল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর সেই স্থানে যেতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন অন্যরা। তরুণ প্রজন্মের হাত ধরেই রাতারগুল, বিছনাকান্দি, হামহাম, সাজেকের মতো বিভিন্ন জায়গা মানুষের কাছে পরিচিতি পেয়েছে। দেশের মানুষের পাশাপাশি অনেক বিদেশিও ইন্টারনেটে এসব স্থানের বর্ণনা দেখে বাংলাদেশে আসতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। অল্প পরিচিত কিংবা নতুন নতুন স্থান হয়ে উঠছে পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্র। প্রযুক্তির ব্যবহার এবং তরুণ প্রজন্মের হাত ধরে দেশের পর্যটন খাত গতিশীল হচ্ছে।
ভ্রমণ নিয়ে ফেসবুকে অনেক পেজ রয়েছে। এর মধ্যে ট্রাভেলার্স অব বাংলাদেশ, হ্যালো ট্রাভেলার্সের মতো গ্রুপগুলো জনপ্রিয়। ট্রাভেলার্স অব বাংলাদেশ গ্রুপের সঙ্গে সংযুক্ত প্রায় সাড়ে ৭ লাখ লোক। বেড়াই বাংলাদেশে রয়েছেন ৮২ হাজার, হ্যালো ট্রাভেলার্সে সাড়ে ৩ হাজার মানুষ সংযুক্ত রয়েছেন। এ ছাড়া ফেসবুকে ব্যক্তিগত অনেক পেজ আছে, যেখানে ভ্রমণবিষয়ক অনেক লেখা, ছবি পোস্ট করা হয়। এসব গ্রুপ বা পেজ ঘেঁটে দেখা গেছে, কোথাও ঘুরে এসে পর্যটকেরা ভ্রমণ-সম্পর্কিত ছবি, লেখা প্রকাশ করছেন। অন্যদিকে নতুন কোথাও যেতে চাইলে কীভাবে যেতে হবে, কেমন খরচ হবে-এমন প্রশ্নের উত্তরও দিচ্ছেন গ্রুপের সদস্যরা।

courtesy: http://www.prothomalo.com


Transport and Communication

Category : Uncategorized

AIR TRANSPORT

Biman. Bangladesh Airlines connects 20 cities in Asia. Europe and Africa and operates 7 domestic routes with a fleet of five Boeing 707, five F-27 and two F-28 aircraft. The national airline is growing steadily both network and fleet wise. It is expected to acquire five new aircraft including two wide-bodied aircraft soon. During 1981 -82 (July-June), Biman carried about 62141 passengers in domestic and International network which indicates a traffic growth of over the previous year. Five development projects were Implemented up to September. 1982 at a cost of Tk. 121.1

Bangladesh Biman Airlines

Bangladesh Biman Airlines

million and Tk. 113.1 million has been sanctioned for another five projects. 13 projects for development of airports have also been undertaken.
PORTS
Chittagong and Chalna are Bangladesh’s two sea-ports. With 17 jetties and a number of other facilities, Chittagong port represents the Life line of the country’s economy. It received 172 ships and handled 5.56 million tons of cargo in 198 1—82. Chalna port received 170 ships and handled 1.63m tons of cargo during the same time. The facilities in these ports are being developed.

Chittagong Sea Port

Chittagong Sea Port

RAILWAY
With 356 passenger trains and 62 goods trains operating every day, Bangladesh Railway carries about 100m passengers and 3.6m tons of cargo annually. With a network of 1792 miles of meter and broad-gauge track and 502 stations, it employs over 60,000 people. Development projects under Implementation include complete declaration of the railway, establishment of a central workshop for repairs of locomotives and workshop for assembly and progressive manufacture of carriages and wagons. Due to reform in Railway administration revenue earning has recorded substantial increase.

Bangladesh Railway 1981

Bangladesh Railway 1981

 

 

 

 

ROADS AND HIGHWAYS

 

Metallic all-weather roads total 2866 miles. About 206 miles of roads was metallic during 1980-81. Taka 1650m has been allocated in 1982—83 for development and maintenance of roads. Out of this Tk 400 m will be spent in phases in the newly upgraded thanas for the construction of roads.
ROAD TRANSPORT
Road transport is predominantly a Private sector affair. But the largest road transport organization is in the public sector with a fleet of more than 347 roadworthy buses and 184 trucks. Its network covers almost the entire country. It carries more than 100,000 passengers a day and several thousand tons of goods per month. The country’s road transport is steadily improving.

 

SHIPPING
Bangladesh Shipping corporation has 25 ocean going vessels having a total tonnage of 37 1,593 DVT. The Corporation’s ships carried over 1.7 million tons of Cargo/crude oil in 1979 —80 and the total revenue earnings was Tk 1096 million. It handled 17.75 of the total export-t and import trade of the Country during the same period.
TELECOMMUNI CATION
Telecommunication plays an important role in the overall development of the country. For long distance domestic connections and beaming of television programmes, high capacity microwave links have been set up with almost all district headquarters.

 

The Satellite Ground Station at Betbunia near Chittagong is used for all kinds of tele-link with the outside world including exchange of television programmes. The Standard ‘B’ Satellite Earth Station at Talibabad (Dhaka) has also been completed and put into operation. Telex facilities, both domestic and international are available at all major towns. Further, old outdated Teleprinter Machines have been replaced by Electronic Teleprinter Machines for the improve merit of Telegraph and Telex communication in the country. An electronic Telex Exchange has been installed in Dhaka by which any telex subscriber of the country can flow dial automatically all over the world.
Programme has been drawn up to introduce Nation Wide Dialing through Digital System in the country. Equipment for Nation Wide Dialing has already been received and the installation work is now on progress. For the improvement of rural telecommunication particularly in the upgrade thanas steps have been taken to install small capacity Rural Automatic Exchanges. 23 thanas have been equipped with telecommunication facilities and work on another 39 thanas has been taken up. Manually operated exchanges have been setup in 7 thanas.


Traffic jams reappearing

Category : Uncategorized

SOME improvements in the traffic movement of Dhaka city have been noticeable following the change of government last year. The communication ministry under its present leadership has been showing some appreciable interest in improving traffic movement in the city. This was reflected in more attention paid by traffic policemen at ground level to keep the traffic flowing smoothly.

But whatever good things were achieved in the sphere of traffic movement in the city seem about to be lost as the indifference and lack of seriousness in relation to their duties are once again creeping back among the traffic policemen. In the last couple of days, the city experienced heavy traffic jams at many points. The rains and dilapidated sections of roads contributed to these jams as some would contend. But to the careful observer, it was apparent that more than any other factor, the attitude of traffic policemen and their lack of devotion to their jobs were the most important reasons for the reappearance of the jams in much the same fashion as in the past.

Traffic jams in Dhaka

Traffic jams in Dhaka

Traffic must not be held up for too long at busy intersections. But the traffic policemen are seen holding up traffic at many intersections for an inordinate length of the time with the result that long queues of vehicle build up in the rear as a consequence. When the signal is at last given for these vehicles have passed through, the signal is given again for the vehicles to stop. Such improper signaling, thus, leads frequently to jams of the sort that have been seen in recent days.

Besides, the traffic policemen are hardly seen doing their duties in relation to improper parking of vehicles in busy roads and areas. Buses do not stop at designated bus stops but in the middle of the roads from where passengers embark and disembark. Traffic policemen turn a blind eye to such practices. The buses thus block the way for the other vehicles and jams build up. In many places of the city’s roads, traffic policemen are seen stopping buses, trucks and other vehicles to examine their papers. The real motive is bribe and as the traffic policemen allegedly remain busy in collecting bribes, they find no time to do their real job with care and this is not a small factor often for the creation of traffic jams. Senior police officials hive to keep watch and play due role in this regard for ensuring smooth flow of traffic. It is important that the relevant ministry should take hard look afresh at the poor quality of traffic management in the city with a view to improving the same.

Traffic jams in Bangladesh

Traffic jams in Bangladesh

 

 

 


লালবাগের কেল্লা

Category : Uncategorized

lalbag kella or lalbag Fort or লালবাগের কেল্লা

তিন শতকের পুরান ঐতিহাসিক স্থান লালবাগের কেল্লা, যাকে দুর্গও বলা হয়। মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের তৃতীয় পুত্র শাহজাদা আজম ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে এই কেল্লা নির্মাণ শুরু করেন। তবে বছর না ঘুরতেই তাঁকে রাজধানি দিল্লীতে তলব করায় কেল্লার কাজ অসমাপ্ত থেকে যায়। এরপর সুবাদার হিসেবে সায়েস্তা খান এখানে এসে পুনরায় কেল্লার নির্মাণ কাজে হাত দেন। তবে পরবর্তীতে দাক্ষিনাত্তের যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংকটের কারণে মোঘল সম্রাটগণ সাম্রাজ্যের অনেক উন্নয়ন মুলক কাজই বন্ধ করে দিলে এই কেল্লার নির্মাণ কাজও অসামাপ্ত থেকে যায় বলে অনেক ইতিহাসবিদ উল্লেখ করেছেন। তবুও এ কেল্লা ইতিহাসের অংশ হয়ে আছে।

কেল্লার ভিতরে তিনটি পুরাকীর্তি আছে। একটি হল পরী বিবির মাজার, একটি দরবার হল ও হাম্মাম এবং তৃতীয়টি হল তিন গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। এ কেল্লার চারটি ফটকের মধ্যে প্রধান ফটক, যেটি একশ টাকার নোটে মুদ্রিত, সেটি এখন বন্ধ। তার বিপরীত দিকের চারটি ফটকের মাঝখানের ইট এখন প্রধান ফটক হিসেবে স্বীকৃত। এ ফটকটিই দর্শনার্থীদের জন্য ব্যবহৃত হয়।

দশ টাকা দিয়ে একটি টিকেট কিনে ভিতরে ঢুকে পড়লে প্রথমেই চোখে পরবে বহুল আলোচিত পরীবিবির মাজার। কত্রিপক্ষের মতে এ মাজারটি বাংলাদেশের সবচেয়ে মূল্যবান পুরাকীর্তি। মাজারের অন্যতম বৈশিষ্ট হল, এটি তৎকালীন খ্যাতনামা হিন্দু ও মুসলমান আর্কিটেক্টদের যৌথ প্রচেষ্টায় নির্মাণ করা হয়েছে সুনিপুণ শিল্পকৌশল ব্যাবহার করে। দিল্লীর হুমায়ূনের মাজার অনুকরনে নির্মাণ করা হয়েছিল ঐতিহাসিক আগ্রার তাজমহল। আর আগ্রার তাজমহলের পরিকল্পনার অনুকরনে নির্মাণ করা হয় পরীবিবির মাজার। শুধু তফাতটা হল তাজমহল দ্বিতল ভবনের আর এটি একতলা ভবন। কিন্তু এর অভ্যন্তরভাগ তাজমহলের অনেকটা অনুরূপই।

তাজমহলের অভ্যন্তরে যে নয়টি কক্ষ রয়েছে বিবি পরীর মাজারেও অনুরূপ নয়টি কক্ষ। মূল্যবান মার্বেল পাথর, কষ্টিপাথর, বিভিন্ন রঙ এর ফুল ও পাতা সুশোভিত চাকচিক্যময় টালির সাহায্যে অভ্যন্তরীণ এ নয়টি কক্ষ সাজান রয়েছে। কক্ষ গুলোর ছাদও কষ্টি পাথরের তৈরি। মুল সমাধি সৌধের কেন্দ্রীয় কক্ষের উপরের গম্বুজটি নির্মাণ করা হয়েছে বড় বড় তামার পাতের আচ্ছাদনে। এটি নির্মিত হয়েছে ১৬৮৮ খ্রিস্টাব্দের আগে।

পরী বিবির মাজারের পশ্চিম পাশে সুরম্যা মসজিদ এবং পূর্ব পাশে দ্বিতল বিশিষ্ট দরবার হল ও হাম্মাম (গোসল খানা)। আর মাজার থেকে সোজা দক্ষিণে গেলে উঁচু বেদির উপরে উঠলে চোখে পড়বে একটি সুরঙ্গ পথ। এটি কেল্লার সীমানা প্রাছির এর কোল ঘেঁষে। প্রাচীরটি বেশ উঁচু এবং বেশ শক্ত।

একসময় বুড়ী গঙ্গার পানি এ প্রাচীরে এসে ধাক্কা খেত। উপরের যে সুড়ঙ্গটি সেটি দিয়ে নিচে নামলে একটি কক্ষ দেখা যাবে। এ ছোট কক্ষটিতে সৈন্যরা বসে থাকত। প্রাচীরের গায়ের গোপন ছিদ্র দিয়ে তারা দেখত জল পথে শত্রুবাহিনী এ এলাকা দখল করার জন্য আসছে কিনা। এ কক্ষটি এমন ভাবে নির্মাণ করা হয়েছে যে, বাহির হতে সত্রুপক্ষের এর অবস্থান ধারনা করার কন উপায় নেই। আবার পূর্ব দিকে কেলার প্রধান ফটকের কাছাকাছি যে সুড়ঙ্গটি রয়েছে সেটি হল মুলত পালিয়ে যাওয়ার মুল পথ।

দ্বিতল বিশিষ্ট দরবার হল ও হাম্মাম মোঘল সাম্রাজ্যের সুনিপুণ শিল্পকলার সার্থক নিদর্শন। ১৭শ শতাব্দীর শেষের দিকে এটি সুবেদার বাসভবন হিসেবে নির্মিত হয়। সরকার এটিকে জাদুঘর হিসেবে রুপান্তরিত করেছে। এর মধ্যে সংরক্ষন করা হয়েছে ঐতিহাসিক তাৎপর্যমণ্ডিত জিনিসপত্র।

নিচ তলার একাংশ হল হাম্মাম বা গোসলখানা। নিচতলার অন্য অংশে রয়েছে ১৮ থেকে ১৯ শতকের শেষের দিকে মোঘলদের ব্যাবহৃত ছরা ও খাপ, বর্শা, বর্শামুল, বল্লম, ফলক, বর্শা নিরোধক লোহার জালের গাত্রবর্ম, গুপ্তি, তরবারি ঢাল, দস্তানা, চিনা পাত্র, সৈন্যদের পোশাকের নমুনা, হাত কুঠার, বক্ষ বর্ম, শিরস্ত্রাণ, তীর ও ধনুক, পারকাশন লক পিস্তল, বন্দুক ও রাইফেল, ফ্লিন্ট লক, হাত কামান, কামানের গুলি তৈরির ছাঁচ ইত্যাদি। আবার দ্বিতীয় তলায় সাজন রয়েছে বিভিন্ন্য সম্রাটদের শাসনামলে ব্যবহৃত মুদ্রা, পারস্যের তৈরি বাসনপাত্র, সিলেডন পেট, হাতে লেখা কোরআন শরিফ, সম্রাটদের পরওয়ানা, কারপেট এবং মোঘল চিত্রকলা অনন্য নিদর্শন আওরঙ্গজেবের কন্যা দুরদানা, শাহজাদা আজম শাহ্‌, আওরঙ্গজেব ও আসফ শাহ্‌ বাহাদুরের প্রতিকৃতি। কেল্লার অন্যতম পুরাকীর্তি মোঘল আমলের মসজিদটি এখন সর্বসাধারণের নামাজ পরার জন্য উম্মুক্ত।

এ লাল বাগ কেল্লা বা দুর্গ জাদুঘরটি খোলা থাকে সপ্তাহের ৬ দিন। প্রত্যেকদিন সকাল দশটা থেকে একটা এবং এক ঘন্টা বিরতির পর বেলা দুটা থেকে ছ’টা পর্যন্ত এটি দর্শনার্থী দের জন্য উম্মুক্ত থাকে। শনিবার সাপ্তাহিক বন্ধ। সরকারীর ছুটির দিনগুলোতেও জাদুঘর বন্ধ থাকে। জাদুঘরে জনপ্রতি প্রবেশ মূল্য প্রাপ্ত বয়স্ক দু’টাকা এবং অপ্রাপ্ত বয়স্ক এক টাকা।

খালেদ রেন্ট এ কার থেকে গাড়ি ভাড়া করুন আর ঘুরে আসুন আমাদের ঢাকার বিখ্যাত লালবাগের কেল্লা।


মধুপুরের বনে বাদাড়ে

Category : Uncategorized

Madhupur Sal Forest

এক ব্রিহস্পতিবার অথবা আপনার সুজগ সুবিধা মত একদিন খালেদ রেন্ট এ কার থেকে গাড়ি ভাড়া করে ঘুরে আশুন মধুপুরের বনে বাদাড়ে। মধুপুর টাঙ্গাইল এর একটি থানা। রাত কাটাবার জন্য আপনাকে কোন কষ্ট পোহাতে হবে না। মাঝারি গোছের আবাসিক হোটেল পাবেন। বন বিভাগের একটি বাংলোও আছে।

সকালে মধুপুর গরের দিকে যান। ভিতরে প্রবেশ দুঃসাধ্য এবং কষ্টকর। ভয়ঙ্কর প্রাণিও আছে। বনের আশে পাশেই আপনাকে পায়ে হেটে চলতে হবে। ভাগ্য ভাল হলে হরিণ, শূকর, বন মোরগ, বন্য কুকুর, খরগোশ দেখতে পাবেন। বিভিন্ন গাছ পালা চোখে পরবে। শাল-গজারী শোনাল, চাম্বেল আর কত কি! আম, জাম, কাঁঠাল গাছও আছে। ৫০ থেকে ৭০ ফুট লম্বা গজারি কিংবা শাল গাছ দেখতে পাবেন। মধুপুর গরের ভিতর দিয়ে আপনি গার উপজাতিদের পারায় যেতে পারেন। সেখানে গিয়ে পাবেন আর বৈচিত্র্য। অধিকাংশ বাড়ি উঁচু মাচায় তৈরি এবং তা ছনের। এরূপ ঘর তৈরি করার পিছনে রয়েছে একটিই কারণ, সেটা হল বন্য-জন্তুর আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া।

মধুপুরের বনে বাদাড়ে

মধুপুরের বনে বাদাড়ে

মধুপুর বনে আপনি আনারসের বাগান দেখতে পাবেন। বর্ষার সময় আপনি ওখানে প্রচুর আনারস পাবেন। দামেও তা সস্তা অর্থাৎ এক জোড়া আনারস ৫-৬ টাকা। খেতেও দারুণ মিষ্টি। ইচ্ছে করলে আপনি ওখান থেকে কয়েক জোড়া আনারাস নিয়েও আস্তে পারেন। এই বনের আয়তন প্রায় ৪৫০ বর্গ মাইল। এ নিয়ে অনেক কিংবদন্তী ছড়িয়ে আছে। কথিত আছে মধুপুরের কাঙ্গাল সগর দিঘি এবং বন দিঘির কাছে গুপ্ত বৃন্দাবন অবস্থিত ছিল। এই গুপ্ত ব্রিন্দাবন শ্রীকৃষ্ণ ও শ্রীরাধার রোমাঞ্চকর প্রেম কাহিনীর জন্য বিখ্যাত।

মধুপুর থানা হাট বাজার বন এলাকা একদিনে আপনি ঘুরে দেখতে পারবেন না। তাই আপনাকে আর একটা দিন ওখানে কাটাতে হবে। সব ঋতুই মধুপুর ভ্রমনের উপযুক্ত সময়। দুএকদিন ওখানে অবস্থান ও ভ্রমণ করে আপনি সুখকর স্মৃতি নিয়ে ফিরবেন।

মধুপুরের বনে pineapple

মধুপুরের বনে pineapple


Skip to toolbar